2016 সালের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্ন সমাধান (৫নং প্রশ্ন)

ক. যে অনুবাদক প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ উৎস প্রোগ্রামকে এক সাথে অনুবাদ করে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করে এবং প্রোগ্রামের ভুলগুলো এক সাথে প্রদর্শন করে তাই কম্পাইলার।

খ. কোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য প্রথমে সমাধানের উপায় স্থির করতে হয়। তারপর উপায়টিকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে সেই অংশগুলোকে যুক্তিসম্মতভাবে পর্যায়ক্রমে কম্পিউটার দিয়ে সম্পন্ন করা হয়। কম্পিউটারে সমস্যা সমাধানের এ যৌক্তিক ক্রমানুসারী পদ্ধতিকে বলা হয় অ্যালগরিদম। অ্যালগরিদম থেকে প্রোগ্রাম রচনা সহজ হয়। এতএব অ্যালগরিদম কোডিং এর পূর্বশর্ত। যার সাহায্যে সহজেই প্রোগ্রামের কোড লোখা হয়।

গ. উদ্দীপকের ফ্লোচার্টটি ফারেনহাইট তাপমাত্রাকে সেন্টিগ্রেডে রূপান্তরের। নিচে ‘সি’ ভাষায় প্রোগ্রামটি লেখা হলো:

/*A Program to Convert Fahrenheit to celious*/

# include<stdio.h>

# include<conio.h>

Main ( )

{

float , f,

Printf (“Enter Fahrenheit temperature:”);

Scanf (“%f”, & f);

c= ((f-32) * 5)/9;

printf (“Celsious temperature=% 2f\n”, c);

fetch ( );

}

ঘ. সমস্যা নির্দিষ্টকরণের ক্ষেত্রে প্রোগ্রামটির একটি পরিষ্কার বর্ণনা তৈরি করা হয়। এর পরে আসে সমস্যা বিশ্লেষণের ধাপ। এর জন্য প্রোগ্রামটিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করতে হয়। প্রয়োজনে চার্ট, তালিকা, গ্রাফ ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
সমস্যা বিশ্লেষণের পর প্রোগ্রাম ডিজাইনের কাজ শুরু হয়। সমস্যার গঠন বর্ণনা হতে সুবিধাজনক অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্টের সহায়তায় প্রোগ্রামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা প্রণয়ন করাই হলো প্রোগ্রাম ডিজাইন।
উদ্দীপকের ফ্লোচার্ট তৈরি প্রোগ্রাম ডিজাইন ধাপের অংশ। যা প্রোগ্রাম তৈরিতে বা কোডিং করতে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অতএব এক অর্থে বলা যায় উদ্দীপকের ফ্লোচার্টের ধারণা প্রোগ্রাম তৈরি ধাপের সাথে সম্পর্কিত।

Previous article2016 সালের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্ন সমাধান (৪নং প্রশ্ন)
Next article2016 সালের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্ন সমাধান (৬নং প্রশ্ন)